osudhkosh

জেনেরিক

Diazoxide

বাজারে 1টি ব্র্যান্ড পাওয়া যায়

এক নজরে

ডায়াজক্সাইড একটি বেনজোথিয়াডায়াজিন ডেরিভেটিভ যা অকার্যকর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মৌখিক চিকিৎসায় এবং হাইপারটেনসিভ জরুরি অবস্থায় ব্যবহৃত হয়।

পরিচিতি

ডায়াজক্সাইড একটি পটাসিয়াম চ্যানেল অ্যাক্টিভেটর। এটি কোষের ঝিল্লির পটাসিয়াম আয়ন ব্যাপ্তিযোগ্যতা বৃদ্ধি করে কাজ করে, যা স্থানীয় মসৃণ পেশী শিথিল করে। অ্যান্টিহাইপোগ্লাইসেমিক হিসেবে, ডায়াজক্সাইড অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাধা দেয়, সম্ভবত বিটা কোষের ঝিল্লিতে পটাসিয়াম চ্যানেল খোলার মাধ্যমে।

নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
  • অকার্যকর হাইপোগ্লাইসেমিয়া (ইডিওপ্যাথিক, লিউসিন-সংবেদনশীল, কার্যকরী আইলেট সেল টিউমার, গ্লাইকোজেন স্টোরেজ রোগ)
  • হাইপারটেনসিভ জরুরি অবস্থা (IV)
থেরাপিউটিক ক্লাস

Combination Oral hypoglycemic preparations

ফার্মাকোলজিক্যাল ক্লাস

পটাসিয়াম চ্যানেল অ্যাক্টিভেটর / অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ

ফার্মাকোলজি

ডায়াজক্সাইড একটি পটাসিয়াম চ্যানেল অ্যাক্টিভেটর। এর ক্রিয়া প্রক্রিয়া কোষের ঝিল্লির পটাসিয়াম আয়ন ব্যাপ্তিযোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় মসৃণ পেশী শিথিল করে। এটি অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাধা দেয়।

কার্যপদ্ধতি (Mechanism of Action)

ডায়াজক্সাইড অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষে পটাসিয়াম চ্যানেল খুলে ইনসুলিন নিঃসরণ বাধা দেয়, ফলে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু: ৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন (২-৩ ভাগে) শুরু, তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী বৃদ্ধি। রক্ষণাবেক্ষণ: ৩-৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন (২-৩ ভাগে)।
লিউসিন-সংবেদনশীল হাইপোগ্লাইসেমিয়া (শিশু): ১৫-২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন।
আইলেট সেল টিউমার: ১০০০ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত।
রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট: ডোজ হ্রাস প্রয়োজন হতে পারে।

সেবন পদ্ধতি

মৌখিকভাবে দিনে ২-৩ ভাগে গ্রহণ করুন। রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

ডোজ মিস করলে করণীয়

যদি আপনি ডায়াজক্সাইডের একটি ডোজ মিস করেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রহণ করুন। তবে পরবর্তী ডোজের সময় হয়ে গেলে মিস করা ডোজ বাদ দিন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, প্যানক্রিয়াটাইটিস, হাইপোটেনশন, ডায়রিয়া, হার্ট ফেইলিউর, সোডিয়াম ও জল ধারণ।

সতর্কতা ও সাবধানতা

রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন; সোডিয়াম ও জল ধারণের জন্য ডাইইউরেটিক প্রয়োজন হতে পারে; হাইপোক্যালেমিয়া এড়িয়ে চলুন; কার্ডিয়াক ফেইলিউর, হাইপারুরিসেমিয়া/গাউটে সতর্কতা; নিয়মিত হেমাটোলজিক্যাল পরীক্ষা প্রয়োজন; শিশুদের বৃদ্ধি ও পরিপক্কতা পর্যবেক্ষণ করুন।

প্রতিনির্দেশনা

অস্ত্রোপচার বা অন্যান্য নির্দিষ্ট থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাযোগ্য ক্ষেত্রে contraindicated; যেকোনো উপাদান বা অন্যান্য থিয়াজাইডের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।

ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন

মৌখিক ডাইইউরেটিক, অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ, অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
ফেনাইটোইন: ডোজ বৃদ্ধির প্রয়োজন হতে পারে।
কর্টিকোস্টেরয়েড, ইস্ট্রোজেন-প্রোজেস্টোজেন: হাইপারগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

খাবারের সাথে প্রতিক্রিয়া

খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা যেতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত তথ্য নেই; শুধুমাত্র মায়ের জীবন ঝুঁকিতে থাকলে ব্যবহার করুন। প্রাণী গবেষণায় ভ্রুণের ক্ষতিকারক প্রভাব দেখা গেছে।

Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

ডায়াজক্সাইড মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা জানা নেই; স্তন্যদান বন্ধ বা ওষুধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিন।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ডোজ ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়; লিউসিন-সংবেদনশীল হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় ১৫-২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নেই।

কিডনি/লিভার সমস্যায় ব্যবহার

রেনাল ইমপেয়ারমেন্টে ডোজ হ্রাস প্রয়োজন হতে পারে।

ওভারডোজ

অতিরিক্ত ডোজে হাইপারগ্লাইসেমিয়া ও হাইপোটেনশন হতে পারে; ইনসুলিন বা মৌখিক হাইপোগ্লাইসেমিক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

৩০°C তাপমাত্রার নীচে, আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে মূল পাত্রে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

রাসায়নিক গঠন

ডায়াজক্সাইড

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ডায়াজক্সাইড কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
অকার্যকর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ডোজ কত?
৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন শুরু, রক্ষণাবেক্ষণ ৩-৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন।
কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, হাইপোটেনশন, ডায়রিয়া, হার্ট ফেইলিউর, সোডিয়াম ও জল ধারণ।
কাদের এটি ব্যবহার করা উচিত নয়?
অস্ত্রোপচার-যোগ্য হাইপোগ্লাইসেমিয়া, অতি সংবেদনশীলতা।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যাবে?
শুধুমাত্র মায়ের জীবন ঝুঁকিতে থাকলে।
⚠️ এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে — চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ওষুধ সেবনের আগে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।