osudhkosh

জেনেরিক

Ferrous Sulfate + Folic Acid + Zinc Sulfate

বাজারে 49টি ব্র্যান্ড পাওয়া যায়

এক নজরে

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিঙ্ক সালফেট একটি টাইম-রিলিজ ক্যাপসুল যা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কের ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময়।

পরিচিতি

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিঙ্ক সালফেট একটি টাইম-রিলিজ ক্যাপসুল যা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কের ঘাটতি বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় চিকিৎসা ও প্রতিরোধের জন্য নির্দেশিত।

প্রতিটি টাইম-রিলিজ ক্যাপসুলে রয়েছে: ফেরাস সালফেট BP ১৫০ মিগ্রা (৪৭ মিগ্রা আয়রনের সমতুল্য), ফলিক অ্যাসিড BP ৫০০ mcg এবং জিঙ্ক সালফেট মনোহাইড্রেট USP ৬১.৮০ মিগ্রা (২২.৫০ মিগ্রা জিঙ্কের সমতুল্য)।

নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
  • আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কের ঘাটতি: আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কের ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময়।
থেরাপিউটিক ক্লাস

আয়রন, ভিটামিন ও মিনারেল সম্মিলিত প্রস্তুতি

ফার্মাকোলজিক্যাল ক্লাস

আয়রন + ফলিক অ্যাসিড + জিঙ্ক সম্পূরক (টাইম-রিলিজ)

ফার্মাকোলজি

আয়রন হিমোগ্লোবিন গঠনে অপরিহার্য উপাদান। ফলিক অ্যাসিড নিউক্লিওপ্রোটিন সংশ্লেষণ ও স্বাভাবিক এরিথ্রোপয়েসিসের জন্য প্রয়োজনীয় এবং গর্ভাবস্থায় নিউরাল টিউব ডিফেক্ট প্রতিরোধ করে। জিঙ্ক সালফেট ১০০টির বেশি এনজাইমের কোফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে এবং সুস্থ ইমিউন সিস্টেম সমর্থন করে। টাইম-রিলিজ ক্যাপসুল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালার সম্ভাবনা কমাতে ডিজাইন করা হয়েছে।

কার্যপদ্ধতি (Mechanism of Action)

আয়রন হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে, ফলিক অ্যাসিড লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সহায়তা করে ও নিউরাল টিউব ডিফেক্ট প্রতিরোধ করে, জিঙ্ক সালফেট ইমিউন সিস্টেম সমর্থন করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক ডোজ: প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল; গুরুতর ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২ টি ক্যাপসুল প্রয়োজন হতে পারে।

শিশু ডোজ (১ বছরের বেশি): প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল (ক্যাপসুল খোলা যেতে পারে এবং পেলেট নরম ঠান্ডা খাবারের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে, তবে চিবাতে হবে না)।

সেবন পদ্ধতি

সর্বাধিক শোষণের জন্য খালি পেটে গ্রহণ করুন, তবে জিআই জ্বালা কমাতে খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করা যেতে পারে। টাইম-রিলিজ ক্যাপসুল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালার সম্ভাবনা কমাতে ডিজাইন করা হয়েছে।

ডোজ মিস করলে করণীয়

যদি একটি ডোজ মিস করেন, মনে পড়লে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রহণ করুন; তবে পরবর্তী ডোজের সময় হয়ে গেলে মিস করা ডোজ বাদ দিন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • গাঢ় মল (আয়রন থেরাপির সময় স্বাভাবিক)
  • বমি বমি ভাব
  • অ্যানোরেক্সিয়া
  • বমি
  • অস্বস্তি
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • ডায়রিয়া
  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (বিরল)
সতর্কতা ও সাবধানতা

সতর্কতা:

  • হিমোক্রোমাটোসিস, হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া বা রেড সেল অ্যাপ্লাসিয়া রোগীদের সতর্কতা (আয়রন ওভারলোডের ঝুঁকি)।
  • টেট্রাসাইক্লিনের সাথে আয়রন ও জিঙ্ক চেলেট গঠন করে এবং শোষণ ব্যাহত হতে পারে।
  • পেনিসিলামিন ও অ্যান্টাসিড দ্বারা আয়রনের শোষণ ব্যাহত হতে পারে।
  • রেনাল ফেইলিওর রোগীদের জিঙ্ক জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
  • চিকিৎসায় প্রতিক্রিয়া না হলে অ্যানিমিয়ার অন্যান্য কারণ অনুসন্ধান করা উচিত।
প্রতিনির্দেশনা

যাদের ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • অতি সংবেদনশীলতা
  • আয়রন ওভারলোড
ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন

ওষুধের মিথস্ক্রিয়া:

  • টেট্রাসাইক্লিন: আয়রন ও জিঙ্ক চেলেট গঠন করে; কয়েক ঘন্টা ব্যবধান রাখুন।
  • পেনিসিলামিন, অ্যান্টাসিড: আয়রনের শোষণ ব্যাহত করতে পারে।
খাবারের সাথে প্রতিক্রিয়া

খাবারের মিথস্ক্রিয়া: অ্যালকোহলের সাথে সতর্কতা প্রয়োজন; ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার: প্রথম ত্রৈমাসিকে ওষুধ ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত; আয়রনের ঘাটতির স্পষ্ট প্রমাণ থাকলে ব্যবহার করা যেতে পারে; গর্ভাবস্থার বাকি সময়ে জিঙ্ক ও ফলিক অ্যাসিড সম্পূরক প্রয়োজন হতে পারে।

Pregnancy Category: A — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

স্তন্যদানে ব্যবহার: স্তন্যদানকারী মায়েদের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন; জিঙ্ক ও আয়রন সম্পূরক প্রয়োজন হতে পারে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ব্যবহার: ১ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ডোজ: প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল (পেলেট খোলা হলে নরম খাবারের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে, চিবাতে হবে না)।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্কদের ব্যবহার: বয়স্ক রোগীদের ডোজ: প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল (গুরুতর ক্ষেত্রে ২ টি)।

কিডনি/লিভার সমস্যায় ব্যবহার

কিডনি সমস্যা: রেনাল ফেইলিওর রোগীদের জিঙ্ক জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে; সতর্কতা প্রয়োজন।

লিভার সমস্যা: লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীদের সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

ওভারডোজ

ওভারডোজ: আয়রন ওভারডোজ বিপজ্জনক, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে; গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ ও ডেসফেরিওক্সামিন পরিচালনা করুন; জিঙ্ক সালফেট ওভারডোজ ক্ষয়কারী হতে পারে।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

সংরক্ষণ: ৩০°C এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রেখে সংরক্ষণ করুন; শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

রাসায়নিক গঠন

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিঙ্ক সালফেট

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন ১: এই সম্পূরকটি কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কের ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময়।
প্রশ্ন ২: কীভাবে গ্রহণ করতে হয়?
প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল; শিশু (১ বছরের বেশি): প্রতিদিন ১ টি ক্যাপসুল (পেলেট খোলা হলে খাবারের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে, চিবাতে হবে না)।
প্রশ্ন ৩: কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
গাঢ় মল, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অ্যালার্জি (বিরল)।
প্রশ্ন ৪: গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যাবে?
প্রথম ত্রৈমাসিকে এড়িয়ে চলুন; আয়রনের ঘাটতির স্পষ্ট প্রমাণ থাকলে ব্যবহার করুন।
⚠️ এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে — চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ওষুধ সেবনের আগে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।