জেনেরিক
Mirogabalin
বাজারে 6টি ব্র্যান্ড পাওয়া যায়
এক নজরে
মিরোগাবালিন একটি নিউরোপ্যাথিক ব্যথা নিরাময়কারী ওষুধ যা ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিক ব্যথা ও পোস্টহারপেটিক নিউরালজিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
পরিচিতি
মিরোগাবালিন ভোল্টেজ-গেটেড ক্যালসিয়াম চ্যানেলের α2δ সাবইউনিটের সাথে নির্বাচনীভাবে আবদ্ধ হয়ে ক্যালসিয়াম প্রবাহ হ্রাস করে এবং নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ বাধা দেয়।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- নিউরোপ্যাথিক ব্যথা
- ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিক ব্যথা (DPNP)
- পোস্টহারপেটিক নিউরালজিয়া (PHN)
- পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিক ব্যথা (PNP)
থেরাপিউটিক ক্লাস
সহায়ক অ্যান্টি-এপিলেপটিক ও প্রাথমিক অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
ফার্মাকোলজিক্যাল ক্লাস
গামা অ্যামিনো অ্যাসিড ও তার ডেরিভেটিভ
ফার্মাকোলজি
মিরোগাবালিন ভোল্টেজ-গেটেড ক্যালসিয়াম চ্যানেলের α2δ সাবইউনিটের সাথে আবদ্ধ হয়ে ক্যালসিয়াম প্রবাহ হ্রাস করে এবং নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ বাধা দেয়।
কার্যপদ্ধতি (Mechanism of Action)
ক্যালসিয়াম প্রবাহ হ্রাস করে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ বাধা দিয়ে ব্যথা উপশম করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ (ওরাল):
- প্রাথমিক ডোজ: ৫ মিগ্রা দিনে ২ বার
- টাইট্রেশন: সাপ্তাহিক ৫ মিগ্রা বৃদ্ধি করে ১৫ মিগ্রা দিনে ২ বার
- রক্ষণাবেক্ষণ: ১০-১৫ মিগ্রা দিনে ২ বার (বয়স ও লক্ষণ অনুযায়ী)
বৃক্কীয় সমস্যা (মৃদু): ৫ মিগ্রা দিনে ২ বার → ১০ মিগ্রা দিনে ২ বার
বৃক্কীয় সমস্যা (মাঝারি): ২.৫ মিগ্রা দিনে ২ বার → ৭.৫ মিগ্রা দিনে ২ বার
বৃক্কীয় সমস্যা (গুরুতর): ২.৫ মিগ্রা দিনে ১ বার → ৭.৫ মিগ্রা দিনে ১ বার
সেবন পদ্ধতি
- খাবারের সাথে বা খালি পেটে গ্রহণযোগ্য
- ট্যাবলেট পুরো গিলে ফেলুন
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডোজ টাইট্রেশন করুন
ডোজ মিস করলে করণীয়
প্রযোজ্য নয় (নির্দিষ্ট ডোজ টাইট্রেশন পদ্ধতি অনুযায়ী)
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- তন্দ্রা (সোমনোলেন্স)
- মাথা ঘোরা (ডিজিনেস)
- শোথ (এডিমা)
- ওজন বৃদ্ধি
- চেতনা হ্রাস (বিরল)
- যকৃতের কর্মহীনতা (বিরল)
সতর্কতা ও সাবধানতা
- গাড়ি চালানোর সময় সতর্কতা (তন্দ্রা ও মাথা ঘোরা হতে পারে)
- বয়স্ক রোগীদের সতর্কতা (পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি)
- অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
- বৃক্কীয় সমস্যায় ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন
প্রতিনির্দেশনা
- মিরোগাবালিনের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা
- মৃদু থেকে মাঝারি যকৃত ও বৃক্কীয় বৈকল্য
ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন
- সিমেটিডিন বা প্রোবেনিসিড: প্লাজমা ঘনত্ব বৃদ্ধি
- লোরাজেপাম বা অ্যালকোহল: CNS বিষণ্নতা বৃদ্ধি
খাবারের সাথে প্রতিক্রিয়া
অ্যালকোহলের সাথে মিরোগাবালিন গ্রহণ করলে অতিরিক্ত তন্দ্রা হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার: গর্ভাবস্থায় নিরাপত্তার তথ্য নেই। শুধুমাত্র প্রয়োজনে ব্যবহার করুন।
Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদানকালে ব্যবহার
স্তন্যদানে ব্যবহার: স্তন্যদানে নিরাপত্তার তথ্য নেই। সতর্কতা অবলম্বন করুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
শিশু ও কিশোরদের জন্য নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
বয়স্কদের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন (পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি)।
কিডনি/লিভার সমস্যায় ব্যবহার
রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট: মৃদু: ৫ মিগ্রা দিনে ২ বার → ১০ মিগ্রা; মাঝারি: ২.৫ মিগ্রা দিনে ২ বার → ৭.৫ মিগ্রা; গুরুতর: ২.৫ মিগ্রা দিনে ১ বার → ৭.৫ মিগ্রা।
হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট: মৃদু-মাঝারি: ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নেই; গুরুতর: তথ্য নেই।
ওভারডোজ
ওভারডোজের তথ্য নেই। লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক চিকিৎসা।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
৩০°C এর নিচে শুষ্ক স্থানে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
রাসায়নিক গঠন
মিরোগাবালিন