৳ 10/পিস
প্যাক: ৳ 100
৳ 10/পিস
প্যাক: ৳ 100
এক নজরে
ক্যালসিয়াম + ভিটামিন ডি৩ একটি সংমিশ্রণ সম্পূরক যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নতকরণ এবং ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩ ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়। এটি হাড়ের বৃদ্ধি, হৃদযন্ত্র, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা (Prevention and treatment of osteoporosis)
- হাড়ের সুস্থ বৃদ্ধি বজায় রাখা (To maintain strong bone growth)
- হৃদযন্ত্র, পেশি ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা (Proper functioning of heart, muscle and nerves)
- পুষ্টি সম্পূরক (Nutritional supplement)
- হাড়ের বিকাশ ও পুনর্জন্ম (Bone development and regeneration)
- গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
- ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরনের ঘাটতি
ফার্মাকোলজি
ক্যালসিয়াম হাড়ের প্রধান খনিজ উপাদান যা হাড়ের শক্তি ও দৃঢ়তা প্রদান করে। ভিটামিন ডি৩ অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি করে এবং হাড়ের খনিজকরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং ক্যালসিয়াম বিপাকে সহায়তা করে। জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরন হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। এই উপাদানগুলির ঘাটতি অস্টিওপোরোসিস রোগীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন ২টি ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট (সকাল ও সন্ধ্যায় ১টি করে) খাবারের সাথে বা খাবারের পর এক গ্লাস পানি সহযোগে সেবন করুন অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
শিশু (৩-৭ বছর): প্রতিদিন ১টি ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট।
শিশু (৭ বছর及以上): প্রতিদিন ১-২টি ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট।
বিঃদ্রঃ: ক্যালসিয়াম সম্পূরক গ্রহণের সময় অন্যান্য উৎস থেকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩-এর পরিমাণ বিবেচনা করতে হবে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ব্যাঘাত যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া (বিরল)।
ভিটামিন ডি৩ সম্পূরক গ্রহণের ফলে বিরল ক্ষেত্রে ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।
উচ্চ মাত্রায় দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাইপারক্যালসিউরিয়া ও বিরল ক্ষেত্রে হাইপারক্যালসেমিয়া দেখা গেছে।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন। গর্ভাবস্থায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩-এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ক্যালসিয়াম ও আয়রন সম্পূরক আলাদা সময়ে গ্রহণ করতে হবে। ভিটামিন ডি৩ ওভারডোজ প্রাণী গবেষণায় টেরাটোজেনিক প্রভাব দেখিয়েছে। মানব研究中 দীর্ঘমেয়াদী হাইপারক্যালসেমিয়া নবজাতকের শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা, অ্যাওরটিক স্টেনোসিস ও রেটিনোপ্যাথি সৃষ্টি করতে পারে। ভিটামিন ডি৩ ও এর মেটাবোলাইট বুকের দুধে নিঃসৃত হয়।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- মৃদু থেকে মাঝারি রেনাল ফেইলিওর বা মৃদু হাইপারক্যালসিউরিয়া রোগীদের সাবধানতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
- প্লাজমা ক্যালসিয়াম মাত্রা ও প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম নিঃসরণের পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা করা উচিত।
- কিডনি পাথরের ইতিহাস থাকলে প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম নিঃসরণ পরিমাপ করে হাইপারক্যালসিউরিয়া বাদ দিতে হবে।
- দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় সিরাম ও প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম মাত্রা ও কিডনি কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম ৭.৫ মিলিমোল/২৪ ঘন্টার বেশি হলে চিকিৎসা কমাতে বা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হবে।
- অন্যান্য উৎস থেকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ সম্পূরক গ্রহণের পরিমাণ বিবেচনা করতে হবে।
ওভারডোজ
অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণ: বমি বমি ভাব, বমি, গুরুতর তন্দ্রা, শুষ্ক মুখ, ক্ষুধা হ্রাস, ধাতব স্বাদ, পেটে ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া, মাথাব্যযা, কোষ্ঠকাঠিন্য।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
শুষ্ক স্থানে, আলো ও তাপ থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।