Arex-160160mg/ml
Rx- জেনেরিক:
- Artemether
- কোম্পানি:
- Jayson Pharmaceuticals Ltd.
- ডোজ ফর্ম:
- Injection
- প্যাক সাইজ:
- Injection
এক নজরে
আর্টেমিথার একটি অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ঔষধ যা ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম দ্বারা সৃষ্ট জটিল নয় এমন ম্যালেরিয়ার জন্য কার্যকর এবং ক্লোরোকুইন-প্রতিরোধী স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও কাজ করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম দ্বারা সৃষ্ট তীব্র, জটিল নয় এমন ম্যালেরিয়া (Acute, uncomplicated P. falciparum malaria)
- মিশ্র ম্যালেরিয়া সংক্রমণ (যাতে P. falciparum অন্তর্ভুক্ত)
- ক্লোরোকুইন-প্রতিরোধী ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটের বিরুদ্ধে কার্যকর
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু (≥৩৫ কেজি): ৬ ডোজের স্ট্যান্ডার্ড কোর্স: প্রথম ডোজ (৪ টি ট্যাবলেট) নির্ণয়ের সময়, দ্বিতীয় ডোজ (৪ টি ট্যাবলেট) ৮ ঘন্টা পরে, তারপর পরবর্তী দুই দিন সকাল ও সন্ধ্যায় (মোট ২৪ টি ট্যাবলেট)।
শিশু (২৫-৩৫ কেজি): প্রতি ডোজ ৩ টি ট্যাবলেট (মোট ১৮ টি ট্যাবলেট)।
শিশু (১৫-২৫ কেজি): প্রতি ডোজ ২ টি ট্যাবলেট (মোট ১২ টি ট্যাবলেট)।
শিশু (৫-১৫ কেজি): প্রতি ডোজ ১ টি ট্যাবলেট (মোট ৬ টি ট্যাবলেট)।
একটি ট্যাবলেটে ২০ মিগ্রা আর্টেমিথার ও ১২০ মিগ্রা লুমেফ্যানট্রিন থাকে। খাবারের সাথে (বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবার বা দুধ) গ্রহণ করলে শোষণ বৃদ্ধি পায়। ১ ঘন্টার মধ্যে বমি হলে ডোজ পুনরাবৃত্তি করুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- মাথাব্যথা (Headache)
- মাথা ঘোরা (Dizziness)
- পেশী ও জয়েন্টে ব্যথা (Muscle and joint pain)
- বমি বমি ভাব ও বমি (Nausea and vomiting)
- ক্ষুধা হ্রাস (Anorexia)
- দুর্বলতা (Asthenia)
- কাশি (Cough)
সতর্কতা ও সাবধানতা
গুরুতর সতর্কতা:
- আর্টেমিথার ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
- গুরুতর ম্যালেরিয়া (সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া, পালমোনারি এডিমা, রেনাল ফেইলিওর) এর চিকিৎসার জন্য এটি মূল্যায়ন করা হয়নি।
- গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
- স্তন্যদানকালে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (লুমেফ্যানট্রিনের দীর্ঘ অর্ধ-জীবনের কারণে)।
- কিউটিসি ব্যবধান দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের (যেমন কার্ডিয়াক অ্যারিথমিয়া, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা) সতর্কতা প্রয়োজন।
- গাড়ি চালানো বা মনোযোগ প্রয়োজন এমন কাজ করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন (মাথা ঘোরা হতে পারে)।
- নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্যারাসাইটের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হতে পারে।