osudhkosh

জেনেরিক

Dipyridamole

বাজারে 2টি ব্র্যান্ড পাওয়া যায়

এক নজরে

ডাইপাইরিডামল একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ যা স্ট্রোক প্রতিরোধ ও হার্ট ভালভ প্রতিস্থাপনের পর রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

পরিচিতি

ডাইপাইরিডামল অ্যাডেনোসিন ডিমিনেজ ও ফসফোডাইস্টেরেজের কার্যকলাপ বাধা দিয়ে অ্যাডেনোসিন, অ্যাডেনিন নিউক্লিওটাইড ও cAMP-এর সঞ্চয় ঘটায়, ফলে প্লেটলেট সমষ্টি বাধা দেয় ও ভাসোডিলেটেশন ঘটায়।

নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
  • ইস্কেমিক স্ট্রোকের সেকেন্ডারি প্রতিরোধ
  • ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাকের সেকেন্ডারি প্রতিরোধ
  • প্রোস্টেটিক হার্ট ভালভের সাথে সম্পর্কিত থ্রম্বোইম্বোলিজম প্রতিরোধ
ফার্মাকোলজিক্যাল ক্লাস

অ্যান্টিপ্লেটলেট

ফার্মাকোলজি

ডাইপাইরিডামল অ্যাডেনোসিন ডিমিনেজ ও ফসফোডাইস্টেরেজ বাধা দিয়ে অ্যাডেনোসিন, অ্যাডেনিন নিউক্লিওটাইড ও cAMP-এর সঞ্চয় ঘটায়, ফলে প্লেটলেট সমষ্টি বাধা দেয় ও ভাসোডিলেটেশন ঘটায়।

কার্যপদ্ধতি (Mechanism of Action)

ডাইপাইরিডামল অ্যাডেনোসিন ডিমিনেজ ও ফসফোডাইস্টেরেজ বাধা দিয়ে প্লেটলেট সমষ্টি প্রতিরোধ করে এবং রক্ত জমাট বাঁধা হ্রাস করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: ৭৫-১০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘন্টা (ওয়ারফারিনের সাথে সহায়ক হিসেবে)।
শিশু: ৩-৬ মি.গ্রা./কেজি/দিন প্রতি ৬-৮ ঘন্টা (বিভক্ত ডোজে)।

সেবন পদ্ধতি

খালি পেটে গ্রহণ করুন। ট্যাবলেটটি পুরো গিলে ফেলুন, চিবাবেন না, পিষবেন না বা ভাঙবেন না।

ডোজ মিস করলে করণীয়

যদি আপনি ডাইপাইরিডামলের একটি ডোজ মিস করেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রহণ করুন। তবে পরবর্তী ডোজের সময় হয়ে গেলে মিস করা ডোজ বাদ দিন। ডোজ দ্বিগুণ করবেন না।

ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন

অ্যামিনোফাইলিন: ভাসোডিলেটেশন প্রভাব বিপরীত করতে পারে।
অ্যান্টাসিড: কার্যকারিতা হ্রাস পায়।
অ্যাডেনোসিন: কার্ডিওটক্সিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
প্রাণঘাতী: ওরাল অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ও অ্যান্টিঅ্যারিথমিক এজেন্টের প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট/অ্যাসপিরিন: অ্যাডিটিভ প্রভাব।

খাবারের সাথে প্রতিক্রিয়া

অ্যালকোহলের সাথে ডাইপাইরিডামল গ্রহণ নিরাপদ নয়।

প্রতিনির্দেশনা

অতিসংবেদনশীলতা; পেপটিক আলসার।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: মাথাব্যযে, ফ্লাশিং (মুখ, কান, ঘাড় ও ধড়ে উষ্ণতা), মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, রক্তচাপ হ্রাস।
অন্যান্য: থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, অ্যাঞ্জিওএডিমা, এনজাইনা পেক্টোরিস, টাকিকার্ডিয়া, হাইপোটেনশন, ব্রঙ্কোস্পাজম, ফুসকুড়ি, ছত্রাক, মায়ালজিয়া, পোস্ট-প্রসিডিউরাল হেমোরেজ।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার সাধারণত নিরাপদ (প্রাণী研究中 কম বা কোন প্রতিকূল প্রভাব নেই; মানব গবেষণা সীমিত)।

Pregnancy Category: B — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

স্তন্যদানের সময় সম্ভবত নিরাপদ; সীমিত মানব তথ্য অনুযায়ী শিশুর জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি নেই।

সতর্কতা ও সাবধানতা

গাড়ি চালানোর ক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে (তন্দ্রা, মাথা ঘোরা)। রক্তপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়; শেভিং, নখ কাটা বা ধারালো বস্তু ব্যবহারের সময় সতর্কতা। অস্ত্রোপচার বা ডেন্টাল চিকিৎসার আগে সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হতে পারে। গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে সতর্কতা।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ডোজ ৩-৬ মি.গ্রা./কেজি/দিন (প্রতি ৬-৮ ঘন্টা)।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নেই।

কিডনি/লিভার সমস্যায় ব্যবহার

কিডনি রোগ: সম্ভবত নিরাপদ; ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নাও হতে পারে।
লিভার রোগ: সম্ভবত নিরাপদ; ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন নাও হতে পারে।

ওভারডোজ

ওভারডোজে উষ্ণতা অনুভূতি, ফ্লাশিং, ঘাম, দ্রুত নাড়ি, অস্থিরতা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, রক্তচাপ হ্রাস, এনজাইনা-সম্পর্কিত অভিযোগ হতে পারে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Anti-platelet drugs

সংরক্ষণ পদ্ধতি

৩০°C তাপমাত্রার নীচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন।

রাসায়নিক গঠন

ডাইপাইরিডামল

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ডাইপাইরিডামল কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
স্ট্রোক প্রতিরোধ ও হার্ট ভালভ প্রতিস্থাপনের পর রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
ডোজ কত?
প্রাপ্তবয়স্ক: ৭৫-১০০ মি.গ্রা. প্রতি ৬ ঘন্টা; শিশু: ৩-৬ মি.গ্রা./কেজি/দিন।
কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
মাথাব্যযে, মাথা ঘোরা, ফ্লাশিং, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, রক্তচাপ হ্রাস।
কাদের এটি ব্যবহার করা উচিত নয়?
অতি সংবেদনশীলতা, পেপটিক আলসার।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যাবে?
গর্ভাবস্থায় সাধারণত নিরাপদ, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⚠️ এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে — চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ওষুধ সেবনের আগে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।