৳ 2/পিস
প্যাক: ৳ 2
৳ 2/পিস
প্যাক: ৳ 2
এক নজরে
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি সম্মিলিত অ্যান্টাসিড ওষুধ যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিরপেক্ষ করে অম্বল, বদহজম, গ্যাস্ট্রাইটিস ও পেপটিক আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
হাইপারঅ্যাসিডিটি, পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অম্বল, খারাপ পেট, ডিসপেপসিয়া, রিফ্লাক্স এসোফ্যাগাইটিস।
ফার্মাকোলজি
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি ধীর-ক্রিয়াশীল অ্যান্টাসিড ও শোষণকারী যা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব প্রদান করে এবং উচ্চ নিরপেক্ষ ক্ষমতা রাখে। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ধীর কিন্তু টেকসই অ্যাসিড নিরপেক্ষকরণ গুণাবলী প্রদান করে। অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড আলসারের পৃষ্ঠে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে নিরাময়ে সহায়তা করে। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পেরিস্টালটিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করে তরলের অস্মোটিক ধারণ ঘটায়, ফলে অন্ত্র পরিষ্কার হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ট্যাবলেট: খাবারের ১-৩ ঘন্টা পরে ও শোবার সময় ২ টি ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
সাসপেনশন: খাবারের ১-৩ ঘন্টা পরে ও শোবার সময় ২ চা চামচ (১০ মি.লি.), অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
গ্যাস্ট্রিক হাইপারঅ্যাসিডিটি/অম্বল: প্রতিদিন ১ গ্রাম পর্যন্ত।
দীর্ঘস্থায়ী রেনাল ফেইলিউরে হাইপারফসফেটেমিয়া: খাবারের সাথে বিভক্ত ডোজে প্রতিদিন ১০ গ্রাম পর্যন্ত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড: খড়ির মতো স্বাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য, মল আটকে যাওয়া, পেটের ক্র্যাম্প
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড: ডায়রিয়া
দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে: অ্যালকালুরিয়া (ক্যালসিয়াম ফসফেট জমা হয়ে নেফ্রোলিথিয়াসিসের ঝুঁকি)
গুরুতর (বিরল): অ্যালুমিনিয়াম নেশা (দীর্ঘস্থায়ী রেনাল ফেইলিউরে), হাইপোফসফেটেমিয়া, অস্টিওম্যালাসিয়া, হাইপারম্যাগনেসেমিয়া, অ্যালকালোসিস।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে অ্যান্টাসিড প্রস্তুতি এড়িয়ে চলা উচিত।
Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- দীর্ঘস্থায়ী রেনাল ইমপেয়ারমেন্টে সতর্কতা প্রয়োজন (অ্যালুমিনিয়াম জমে যাওয়ার ঝুঁকি)
- কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর, শোথ, সিরোসিস ও কম সোডিয়াম ডায়েটে সতর্কতা প্রয়োজন
- সাম্প্রতিক গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তপাতের রোগীদের সতর্কতা প্রয়োজন
- অন্যান্য ওষুধের সাথে ২ ঘন্টা ব্যবধান রাখুন (শোষণে হস্তক্ষেপ এড়াতে)
- গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন
- স্তন্যদানকালে সতর্কতা প্রয়োজন
ওভারডোজ
ওভারডোজের লক্ষণ: গুরুতর কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্রের বাধা, ডায়রিয়া, ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা। চিকিৎসা: ওষুধ বন্ধ করা ও লক্ষণভিত্তিক ব্যবস্থা।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
৩০°C-এর নিচে তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।