৳ 1.92/পিস
প্যাক: ৳ 26.88
৳ 1.92/পিস
প্যাক: ৳ 26.88
এক নজরে
ফ্যামোটিডিন একটি অ্যান্টাসিড ওষুধ যা পেটে অ্যাসিডের পরিমাণ কমিয়ে অম্বল, বদহজম ও পাকস্থলীর আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (অ্যাসিড রিফ্লাক্স): অ্যাসিড রিফ্লাক্সের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- পেপটিক আলসার রোগ: পাকস্থলী ও ডুওডেনাল আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- গ্যাস্ট্রিক আলসার: পাকস্থলীর আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম: অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ফার্মাকোলজি
ফ্যামোটিডিন একটি হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট। এটি প্যারাইটাল কোষের H2-রিসেপ্টরে হিস্টামিনের ক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে বাধা দেয়। এটি বেসাল, রাতারাতি ও পেন্টাগাস্ট্রিন-উদ্দীপিত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ বাধা দেয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ (মৌখিক):
- বেনাইন গ্যাস্ট্রিক ও ডুওডেনাল আলসার: ৪০ মিগ্রা দিনে ১ বার (শোবার সময়) ৪-৮ সপ্তাহ অথবা ২০ মিগ্রা দিনে ২ বার।
- গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ: ২০ মিগ্রা দিনে ২ বার ৬-১২ সপ্তাহ অথবা খাদ্যনালীর আলসার থাকলে ৪০ মিগ্রা দিনে ২ বার পর্যন্ত।
- জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম: প্রাথমিক: ২০ মিগ্রা প্রতি ৬ ঘন্টা; প্রয়োজনে ৮০০ মিগ্রা/দিন পর্যন্ত।
- নন-আলসার ডিসপেপসিয়া, অম্বল: ১০-২০ মিগ্রা দিনে ১ বা ২ বার।
শিশু ডোজ (১-১৬ বছর): পেপটিক আলসার: ০.৫ মিগ্রা/কেজি PO শোবার সময়; সর্বোচ্চ ৪০ মিগ্রা/দিন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- মাথাব্যথা
- ডায়রিয়া
- কোষ্ঠকাঠিন্য
- বমি বমি ভাব
- বমি
- ত্বকের ফুসকুড়ি
- মাথা ঘোরা
- তন্দ্রা
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার: ফ্যামোটিডিন গর্ভাবস্থায় সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত; প্রাণি কম বা কোনো প্রতিকূল প্রভাব দেখা যায়নি।
Pregnancy Category: B — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
সতর্কতা:
- ফ্যামোটিডিন সাধারণত গাড়ি চালানোর ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না।
- খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা যেতে পারে।
- অ্যান্টাসিডের সাথে গ্রহণ করলে ২ ঘন্টা ব্যবধান রাখুন।
- নরম পানীয়, সাইট্রাস ফল (কমলা, লেবু) এড়িয়ে চলুন যা পেট জ্বালা করে ও অ্যাসিড নিঃসরণ বৃদ্ধি করে।
- ২ সপ্তাহের মধ্যে উন্নতি না হলে ডাক্তারকে জানান।
- কিডনি রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান (ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে)।
- ডাক্তারের সাথে কথা না বলে ওষুধ বন্ধ করবেন না।
ওভারডোজ
ওভারডোজ: ওভারডোজের তথ্য সীমিত; ওভারডোজের ক্ষেত্রে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিন।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
সংরক্ষণ: ৩০°C এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন; শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।