৳ 3.50/পিস
প্যাক: ৳ 52.50
৳ 3.50/পিস
প্যাক: ৳ 52.50
এক নজরে
কার্বনাইল আয়রন + ফলিক অ্যাসিড + ভিটামিন বি কমপ্লেক্স + ভিটামিন সি + জিংক একটি সংমিশ্রণ ক্যাপসুল যা গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, জিংক, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়। এটি রক্তাল্পতা প্রতিরোধ, ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- গর্ভাবস্থায় আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, জিংক, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি-এর ঘাটতি
- স্তন্যদানের সময় আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, জিংক, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি-এর ঘাটতি
- আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা
- ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতিজনিত মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া
ফার্মাকোলজি
কার্বনাইল আয়রন উচ্চ জৈব উপলভ্যতা ও কম বিষাক্ততা সম্পন্ন আয়রন সম্পূরক। ফলিক অ্যাসিড নিউক্লিওপ্রোটিন সংশ্লেষণ ও স্বাভাবিক এরিথ্রোপয়েসিসের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স কোএনজাইম A-এর সংশ্লেষণ, লিপিড ও কার্বোহাইড্রেট বিপাকে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন সি কোলাজেন গঠন ও টিস্যু মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয়। জিংক ১০০টির বেশি এনজাইমের কোফ্যাক্টর ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন ১টি ক্যাপসুল খাবারের আগে সেবন করুন। গুরুতর ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২টি ক্যাপসুল প্রয়োজন হতে পারে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
শিশু ও কিশোর: ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিঃদ্রঃ: সর্বোচ্চ শোষণের জন্য খালি পেটে সেবন করুন, তবে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালা কমাতে খাবারের সাথে বা পরে সেবন করা যেতে পারে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া (মৌখিক আয়রন প্রস্তুতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া)।
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে।
বয়স্ক রোগীদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় প্রথম ত্রৈমাসিকে সম্ভব হলে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন; দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে। আয়রনের ঘাটতি প্রমাণিত হলে প্রথম ত্রৈমাসিকেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- আয়রন ওভারলোড হতে পারে এমন রোগীদের (হেমোক্রোমাটোসিস, হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া, রেড সেল অ্যাপ্লাসিয়া) সতর্কতা প্রয়োজন।
- আয়রন টেট্রাসাইক্লিনের সাথে চেলেট গঠন করে ও শোষণ ব্যাহত হতে পারে; অন্তত ২-৩ ঘন্টা ব্যবধান রাখুন।
- অ্যান্টাসিডের সাথে একসাথে গ্রহণ করলে আয়রন শোষণ হ্রাস পায়; অন্তত ২ ঘন্টা ব্যবধান রাখুন।
- গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে সম্ভব হলে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন; দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন।
- স্তন্যদানে বুকের দুধে উপস্থিত; সতর্কতা প্রয়োজন।
ওভারডোজ
ওভারডোজের লক্ষণ: শক্তি হ্রাস, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ট্যারি মল, দুর্বল দ্রুত নাড়ি, জ্বর, কোমা, খিঁচুনি। ওভারডোজ সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
৩০°C তাপমাত্রার নিচে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।