osudhkosh

৳ 0.94/পিস

প্যাক: ৳ 0.94

CapsuleCapsule
আমার ওষুধে যোগ করুন
দাম কমলে জানান

এক নজরে

ডাইগক্সিন একটি কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড যা হার্ট ফেইলিউর ও অ্যারিথমিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
  • হার্ট ফেইলিউর
  • অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (অনিয়ন্ত্রিত ভেন্ট্রিকুলার রেট)
  • তীব্র ও ক্রনিক লেফট ভেন্ট্রিকুলার ফেইলিউর
  • কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর
ফার্মাকোলজি

ডাইগক্সিন একটি কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড যা মায়োকার্ডিয়াল সংকোচনের শক্তি বৃদ্ধি করে (পজিটিভ ইনোট্রপিক কার্যকলাপ) এবং অ্যাট্রিওভেন্ট্রিকুলার (AV) নোডের মাধ্যমে হৃদয়ের পরিবাহিতা হ্রাস করে। ডাইগক্সিন ভাস্কুলার স্মুথ পেশীতে সরাসরি ক্রিয়া এবং অটোনমিক স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে পরোক্ষ প্রভাবও প্রয়োগ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক (দ্রুত ডিজিটালাইজেশন - অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন): মোট লোডিং ডোজ ১০-১৫ mcg/kg; প্রাথমিক ৫০% দিন, তারপর প্রতি ৬-৮ ঘন্টা ২ বার লোডিং ডোজের ¼ দিন।
প্রাপ্তবয়স্ক (রক্ষণাবেক্ষণ): ৩.৪-৫.১ mcg/kg/দিন বা ০.১২৫-০.৫ মি.গ্রা./দিন PO।
প্রাপ্তবয়স্ক (হার্ট ফেইলিউর): ০.১২৫-০.২৫ মি.গ্রা. PO/IV দৈনিক।
শিশু: বয়স ও ওজন অনুযায়ী ডোজ (প্রিম্যাচিউর নবজাতক থেকে >১০ বছর)।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, মাথাব্যযে, ক্লান্তি, তন্দ্রা, বিভ্রান্তি, প্রলাপ, হ্যালুসিনেশন, বিষণ্নতা, অ্যারিথমিয়া, হার্ট ব্লক।
অন্যান্য: দৃষ্টি ব্যাঘাত, গাইনেকোমাস্টিয়া (দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে), থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

গর্ভাবস্থা বিভাগ সি। গর্ভাবস্থায় নিরাপদ নাও হতে পারে।

Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা ও সাবধানতা

গাড়ি চালানোর ক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে (মাথা ঘোরা, দৃষ্টি পরিবর্তন, তন্দ্রা)। ডোজ ওভারডোজের লক্ষণ (ধীর হৃদস্পন্দন, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট) সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। হঠাৎ বন্ধ করবেন না।

ওভারডোজ

ওভারডোজে অ্যানোরেক্সিয়া, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, দৃষ্টি ব্যাঘাত, অ্যারিথমিয়া হতে পারে। চিকিৎসা সহায়তা নিন।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

শীতল ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

Digoxin — সম্পূর্ণ তথ্য দেখুনফার্মাকোলজি, সতর্কতা, গর্ভাবস্থা, ওভারডোজসহ পূর্ণ বিবরণ জেনেরিক পাতায়
⚠️ এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে — চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ওষুধ সেবনের আগে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।