৳ 9/পিস
প্যাক: ৳ 9
৳ 9/পিস
প্যাক: ৳ 9
এক নজরে
এসোমেপ্রাজল ম্যাগনেসিয়াম ট্রাইহাইড্রেট একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) যা পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায়। এটি অম্বল, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, খাদ্যনালীর সমস্যা ও পেপটিক আলসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) / অ্যাসিড রিফ্লাক্স, পেপটিক আলসার রোগ, ইরোসিভ এসোফ্যাগাইটিস, জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম, NSAID-প্ররোচিত গ্যাস্ট্রিক আলসার, H. pylori সংক্রমণের সাথে সম্পর্কিত ডুওডেনাল আলসার (অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে সংমিশ্রণে)।
ফার্মাকোলজি
এসোমেপ্রাজল ম্যাগনেসিয়াম ট্রাইহাইড্রেট প্রোটন পাম্পের (H+/K+ ATPase) অপরিবর্তনীয় বাধার মাধ্যমে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণের চূড়ান্ত ধাপটি বন্ধ করে দেয়। এটি ওমেপ্রাজলের S-আইসোমার যা R-আইসোমারের তুলনায় দ্রুত ও বেশি জৈব উপলভ্যতা প্রদান করে। পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন হ্রাসের মাধ্যমে এটি অ্যাসিড-সম্পর্কিত বদহজম ও অম্বল থেকে উপশম দেয় এবং খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর আস্তরণ নিরাময়ে সহায়তা করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ:
- GERD (ইরোসিভ এসোফ্যাগাইটিস ছাড়া): ২০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার ৪ সপ্তাহ; প্রয়োজন হলে আরও ৪ সপ্তাহ।
- GERD (ইরোসিভ এসোফ্যাগাইটিস সহ): ২০-৪০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার ৪-৮ সপ্তাহ।
- রক্ষণাবেক্ষণ: ২০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার ৬ মাস পর্যন্ত।
- NSAID-প্ররোচিত গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঝুঁকি হ্রাস: ২০-৪০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার ৬ মাস পর্যন্ত।
- NSAID-প্ররোচিত গ্যাস্ট্রিক আলসার: ২০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার ৪-৮ সপ্তাহ।
- জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম: ৮০ মি.গ্রা. (প্রাথমিক) ১২ ঘন্টা পরপর (সর্বোচ্চ ২৪০ মি.গ্রা./দিন)।
শিশু ডোজ (১-১২ বছর): ১০-২০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার (ওজনভিত্তিক)। ১২ বছরের বেশি: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, শুষ্ক মুখ, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া।
বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অ্যালার্জি, কিডনি সমস্যা (প্রস্রাব কমে যাওয়া, পিঠে ব্যথা, ক্লান্তি), হাইপোম্যাগনেসেমিয়া (পেশি টান, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন), হাড় ভাঙার ঝ riskি (দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে)।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিরাপদ নয়। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। শুধুমাত্র প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করুন।
Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করান। হাইপোম্যাগনেসেমিয়ার লক্ষণ (পেশি টান, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন) দেখা দিলে ডাক্তারকে জানান। হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর পর্যাপ্ত গ্রহণ নিশ্চিত করুন। পানি ডায়রিয়া, জ্বর বা পেটে ব্যথা হলে ডাক্তারকে জানান। গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। গাড়ি চালানোর সময় সতর্কতা প্রয়োজন।
ওভারডোজ
ওভারডোজের লক্ষণ: তন্দ্রা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা। ওভারডোজ সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিন।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
৩০°C-এর নিচে তাপমাত্রায়, শীতল ও শুষ্ক স্থানে, আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।