৳ 100/পিস
প্যাক: ৳ 100
৳ 100/পিস
প্যাক: ৳ 100
এক নজরে
ল্যাবেটালল হাইড্রোক্লোরাইড উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) এবং হৃদপিণ্ড সম্পর্কিত বুকে ব্যথা (এনজাইনা) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায়ও কার্যকর। ওষুধটি হৃদস্পন্দন ধীর করে এবং রক্তনালী শিথিল করে হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন)
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ
- হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিস
- এনজাইনা (হৃদপিণ্ড সম্পর্কিত বুকে ব্যথা)
- হাইপোটেনসিভ অ্যানেস্থেশিয়া
- স্ট্রোকের পর উচ্চ রক্তচাপ
- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের পর উচ্চ রক্তচাপ
ফার্মাকোলজি
ল্যাবেটালল একটি অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টর ব্লকার যা আলফা-১ এবং নন-সিলেকটিভ বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টর ব্লক করে। আলফা ও বিটা উভয় ক্রিয়াই উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ওরাল (প্রাপ্তবয়স্ক):
- প্রাথমিক ডোজ: ১০০ মিলিগ্রাম দিনে ২ বার
- রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ: ২০০-৪০০ মিলিগ্রাম দিনে ২ বার
- সর্বোচ্চ ডোজ: ২.৪ গ্রাম/দিন (২-৪ ভাগে)
- বয়স্ক: প্রাথমিক ৫০-১০০ মিলিগ্রাম দিনে ২ বার; রক্ষণাবেক্ষণ ১০০-২০০ মিলিগ্রাম দিনে ২ বার
ইনজেকশন/ইনফিউশন:
- হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিস: ২০ মিলিগ্রাম ধীরে IV (২ মিনিটের বেশি), প্রতি ১০ মিনিটে ৪০-৮০ মিলিগ্রাম (সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিগ্রাম)
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ: ২০ মিগ্রা/ঘণ্টা শুরু, প্রতি ৩০ মিনিটে দ্বিগুণ (সর্বোচ্চ ১৬০ মিগ্রা/ঘণ্টা)
- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের পর: ১৫ মিগ্রা/ঘণ্টা শুরু, ধীরে বৃদ্ধি (সর্বোচ্চ ১২০ মিগ্রা/ঘণ্টা)
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- মাথা ঘোরা (ডিজাইনেস)
- অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া
- বীর্যপাতের সমস্যা
- লিভার এনজাইম বৃদ্ধি
- প্রস্রাব করতে অসুবিধা
অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন (দাঁড়ালে মাথা ঘোরা)
- ক্লান্তি, দুর্বলতা
- মাথাব্যথা
- ত্বকে ফুসকুড়ি
- বমি বমি ভাব, বমি
- লিভারের ক্ষতি (বিরল)
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার: ল্যাবেটালল হাইড্রোক্লোরাইড গর্ভাবস্থায় নিরাপদ নাও হতে পারে। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। তবে গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- গাড়ি চালানো বা মনোযোগ প্রয়োজন এমন কাজ এড়িয়ে চলুন (মাথা ঘোরা হতে পারে)
- খাবারের সাথে গ্রহণ করুন
- দাঁড়ানোর সময় ধীরে উঠুন (অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন এড়াতে)
- অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি করতে পারে)
- হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করবেন না (হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি)
- লিভারের আঘাতের লক্ষণ দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করুন
ওভারডোজ
ওভারডোজে অতিরিক্ত হাইপোটেনশন ও ব্র্যাডিকার্ডিয়া হয়। চিকিৎসা: অ্যাট্রোপিন (ব্র্যাডিকার্ডিয়া), ডিজিটালিস ও ডাইইউরেটিক (হার্ট ফেইলিওর), নরেপিনেফ্রিন (হাইপোটেনশন), এপিনেফ্রিন (ব্রঙ্কোস্পাজম)।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
আলো থেকে রক্ষা করে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন; শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।