৳ 5.36/পিস
প্যাক: ৳ 80.40
৳ 5.36/পিস
প্যাক: ৳ 80.40
এক নজরে
ক্যালসিয়াম + ভিটামিন ডি + মিনারেলস একটি সংমিশ্রণ সম্পূরক যা অস্টিওপোরোসিস, ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, পোস্টমেনোপজাল অস্টিওপোরোসিস, রিকেটস ও খনিজ সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে ও দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়তা করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
- অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis)
- ক্যালসিয়ামের ঘাটতি (Calcium deficiency)
- পোস্টমেনোপজাল অস্টিওপোরোসিস (Post-menopausal osteoporosis)
- রিকেটস (Rickets)
- অস্টিওক্যালসেমিয়া (Osteocalcaemia)
- খনিজ সম্পূরক (Mineral supplement)
ফার্মাকোলজি
ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট/ল্যাকটেট ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত হয়। এটি হাড়ের খনিজ উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং স্নায়ু ও পেশি কার্যকারিতা ও স্বাভাবিক কার্ডিয়াক ফাংশনে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি করে এবং হাড় গঠনকে উদ্দীপিত করে। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর সমন্বয় হাড়ের বৃদ্ধি, অস্টিওপোরোসিস ও ফ্র্যাকচার প্রতিরোধে সমন্বয়মূলক প্রভাব ফেলে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক: প্রতিদিন ২টি ট্যাবলেট, preferably সকাল ও সন্ধ্যায় একটি করে।
১২ বছরের বেশি শিশু: প্রতিদিন ২টি ট্যাবলেট, সকাল ও সন্ধ্যায় একটি করে।
১২ বছরের কম শিশু: সুপারিশ করা হয় না।
বিঃদ্রঃ: মৃদু থেকে মাঝারি রেনাল ফেইলিওর বা মৃদু হাইপারক্যালসিউরিয়া রোগীদের সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ব্যাঘাতের মৃদু ও অস্থায়ী প্রভাব যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া কিছু ব্যক্তির মধ্যে দেখা যেতে পারে।
ভিটামিন ডি সম্পূরক গ্রহণের ফলে কিছু বিরল ক্ষেত্রে ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।
উচ্চ মাত্রায় দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাইপারক্যালসিউরিয়া দেখা গেছে।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিরাপদ (যদি চিকিৎসক পরামর্শ দেন)। তবে অতিরিক্ত মাত্রা এড়িয়ে চলুন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- মৃদু থেকে মাঝারি রেনাল ফেইলিওর বা মৃদু হাইপারক্যালসিউরিয়া রোগীদের সাবধানতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
- প্লাজমা ক্যালসিয়াম মাত্রা ও প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম নিঃসরণের পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা করা উচিত।
- কিডনি পাথরের ইতিহাস থাকলে প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম নিঃসরণ পরিমাপ করে হাইপারক্যালসিউরিয়া বাদ দিতে হবে।
- দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় সিরাম ও প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম মাত্রা ও কিডনি কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম ৭.৫ মিলিমোল/২৪ ঘন্টার বেশি হলে চিকিৎসা কমাতে বা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হবে।
ওভারডোজ
অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণ: বমি বমি ভাব, বমি, শুষ্ক মুখ, ক্ষুধা হ্রাস, পেটে ক্র্যাম্প, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা। গুরুতর ক্ষেত্রে হাইপারক্যালসেমিয়া।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
শিশুদের নাগালের বাইরে, ৩০°C তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।