৳ 8/পিস
প্যাক: ৳ 8
৳ 8/পিস
প্যাক: ৳ 8
এক নজরে
এসোমেপ্রাজল + ন্যাপ্রোক্সেন একটি সংমিশ্রণ ওষুধ যা ব্যথা ও প্রদাহ উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস, পেশি ব্যথা, পিঠে ব্যথা ও দাঁতের ব্যথায় কার্যকর। ন্যাপ্রোক্সেন ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে এবং এসোমেপ্রাজল পাকস্থলীর অ্যাসিড কমিয়ে ন্যাপ্রোক্সেনের কারণে পেটের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।
নির্দেশনা (কোন রোগে ব্যবহৃত হয়)
ব্যথা ও প্রদাহ উপশম: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস, পেশি ব্যথা, পিঠে ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, কান ও গলার ব্যথা।
ফার্মাকোলজি
ন্যাপ্রোক্সেন একটি NSAID যা সাইক্লোঅক্সিজিনেজ (COX-1 ও COX-2) এনজাইমকে বাধা দিয়ে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ কমায়, ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বর হ্রাস পায়। এসোমেপ্রাজল পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণের চূড়ান্ত ধাপে H+/K+ ATPase (প্রোটন পাম্প) এনজাইমকে বাধা দিয়ে পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায়, যা ন্যাপ্রোক্সেনের কারণে পেটের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: ১টি ট্যাবলেট (ন্যাপ্রোক্সেন ৩৭৫ মি.গ্রা. বা ৫০০ মি.গ্রা. + এসোমেপ্রাজল ২০ মি.গ্রা.) দিনে ২ বার, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। খাবারের কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে খালি পেটে সেবন করতে হবে। বয়স্ক রোগীদের উচ্চ মাত্রায় সতর্কতা প্রয়োজন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ডিসপেপসিয়া, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক আলসার, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ফ্ল্যাটুলেন্স, মাথাব্যথা। গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কার্ডিওভাসকুলার থ্রম্বোটিক ইভেন্ট (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তপাত, কিডনি ক্ষতি, লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস), অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া।
গর্ভাবস্থায় ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার নিরাপদ নয়। গর্ভাবস্থার ২০-৩০ সপ্তাহের মধ্যে ব্যবহার সীমিত করতে হবে এবং ৩০ সপ্তাহের পরে ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে।
Pregnancy Category: C — গর্ভাবস্থায় সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা ও সাবধানতা
গর্ভাবস্থায় (বিশেষ করে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে) ব্যবহার নিরাপদ নয়। স্তন্যদানকালে সতর্কতা প্রয়োজন। বয়স্ক রোগী, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বা লিভার রোগে সতর্কতা প্রয়োজন। গাড়ি চালানোর সময় সতর্কতা প্রয়োজন কারণ ওষুধ মাথা ঘোরা, তন্দ্রা বা দৃষ্টি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে হাড় ভাঙার ঝুঁকি ও ভিটামিন বি১২ ঘাটতি হতে পারে।
ওভারডোজ
ওভারডোজের লক্ষণ: তন্দ্রা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা। ওভারডোজ সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিন।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
৩০°C-এর নিচে তাপমাত্রায়, শীতল ও শুষ্ক স্থানে, আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।