খাবার আটকে গেলে করণীয়: হাইমলিচ পদ্ধতি ও চোকিং প্রতিরোধের গাইড
প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে বসে থাকা অবস্থায় কারও গলায় হঠাৎ খাবার আটকে যাওয়া একটি অতি সাধারণ কিন্তু প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে এমন মুহূর্ত। বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যান বলছে, চোকিং বা শ্বাসনালীতে খাবার/বস্তু আটকে যাওয়া দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর চতুর্থ প্রধান কারণ, এবং এটি শিশুমৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ—৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭ শতাংশ ঘটে শ্বাসনালীতে কোনো বস্তু আটকে যাওয়ার কারণে। সুখবর হলো, ২০২৫ সালের অক্টোবরে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (AHA) ও আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স (AAP) যৌথভাবে ২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো চোকিং-সংক্রান্ত প্রাথমিক চিকিৎসার নির্দেশনা হালনাগাদ করেছে—বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে পদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। এই লেখায় প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু ও নবজাতকের জন্য সঠিক পদ্ধতি, গলায় মাছ-মাংসের হাড় বিঁধে যাওয়ার সাথে আসল চোকিং-এর পার্থক্য এবং প্রতিরোধের উপায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
চোকিং আসলে কী এবং কেন হয়?
চোকিং ঘটে যখন খাবার, কোনো বস্তু বা তরল শ্বাসনালীতে (ট্রাকিয়া) ঢুকে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এই বাধা দুই রকম হতে পারে:
- আংশিক অবরোধ (Partial Obstruction): শ্বাসনালীর কিছু অংশ খোলা থাকে, ফলে ব্যক্তি জোরে কাশতে পারেন, কথা বলতে পারেন (যদিও কষ্ট করে), এবং শ্বাস নেওয়ার সময় উচ্চস্বরে শিস বা তীক্ষ্ণ শব্দ (স্ট্রাইডর) শোনা যেতে পারে।
- সম্পূর্ণ অবরোধ (Complete Obstruction): শ্বাসনালী সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়—ব্যক্তি কাশতে পারেন না, কথা বলতে পারেন না, শ্বাস নিতে পারেন না। এটি একটি সরাসরি প্রাণঘাতী জরুরি অবস্থা।
চোকিংয়ের সর্বজনীন লক্ষণ (Universal Choking Sign) হলো—ব্যক্তি এক বা দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরেন। এটি দেখলে সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে হবে পরিস্থিতি জরুরি।
কোন খাবার ও বস্তুতে ঝুঁকি বেশি?
গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট, শক্ত, গোলাকার বা পিচ্ছিল খাবারে চোকিংয়ের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ খাবারের তালিকায় আছে—সসেজ/হট ডগ জাতীয় খাবার (আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে সব প্রাণঘাতী খাদ্য-সংক্রান্ত চোকিংয়ের প্রায় ১৭ শতাংশ এই জাতীয় খাবার থেকে), আঙুর, বাদাম, শক্ত ক্যান্ডি, পপকর্ন, মার্শম্যালো এবং পনিরের বড় টুকরা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য—মাছের কাঁটা, মুরগি বা গরু-খাসির ছোট হাড়ের টুকরা (বিশেষত কোরবানির ঈদের সময়), এবং ছোট শিশুদের হাতে চলে আসা মুদ্রা, বেলুন বা ছোট খেলনার টুকরা। অ-খাদ্য বস্তুর মধ্যে লেটেক্স বেলুন সবচেয়ে বিপজ্জনক—প্রাণঘাতী বিদেশি বস্তুজনিত শ্বাসনালী অবরোধের প্রায় ২৯ শতাংশ এই বেলুন থেকে ঘটে। বয়সের দিক থেকে ঝুঁকি দ্বি-মুখী—১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশু (যারা মুখে সবকিছু দেয় এবং খাবার ভালোভাবে চিবোতে শেখেনি) এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিরা (দাঁতের সমস্যা, গিলতে অসুবিধা) সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১ বছরের বেশি বয়সী শিশুর জন্য সঠিক পদ্ধতি
ব্যক্তি যদি কাশতে, কথা বলতে বা শ্বাস নিতে সম্পূর্ণভাবে অক্ষম হন, তাহলে নিচের পদক্ষেপ অনুসরণ করুন:
- ব্যাক ব্লো (Back Blows): ব্যক্তির পাশে ও পেছনে দাঁড়ান, এক হাত দিয়ে বুকের সামনে ধরে সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকিয়ে দিন। অন্য হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে দুই কাঁধের মাঝখানে জোরে ৫ বার আঘাত করুন।
- পেটে ঠেলা বা হাইমলিচ পদ্ধতি (Abdominal Thrusts): ব্যাক ব্লো-তে বস্তু বের না হলে, পেছন থেকে কোমর জড়িয়ে ধরুন। নাভির ঠিক উপরে এক হাতের মুষ্টি রাখুন, অন্য হাত দিয়ে তা ধরে ভেতরের ও উপরের দিকে জোরে ৫ বার ঠেলা দিন।
- বস্তু বের না হওয়া পর্যন্ত বা ব্যক্তি অজ্ঞান না হওয়া পর্যন্ত ৫টি ব্যাক ব্লো এবং ৫টি অ্যাবডোমিনাল থ্রাস্টের চক্র চালিয়ে যান।
নিজের গলায় খাবার আটকে গেলে এবং পাশে কেউ না থাকলে নিজেই এক হাতে মুষ্টি করে নাভির উপরে রেখে, অন্য হাত দিয়ে ধরে কোনো চেয়ারের কোণা বা টেবিলের শক্ত কিনারার উপর ঝুঁকে পেটে চাপ দিতে পারেন।
১ বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য আলাদা পদ্ধতি (AHA/AAP-র নতুন নির্দেশনা)
এখানেই ২০২৫ সালের নতুন নির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন—নবজাতক বা শিশুর (১ বছরের কম) ক্ষেত্রে কখনোই হাইমলিচ পদ্ধতি বা পেটে ঠেলা প্রয়োগ করা উচিত নয়, কারণ এতে লিভার আঘাতের ঝুঁকি থাকে। পরিবর্তে:
- ব্যাক ব্লো: শিশুকে আপনার হাত ও কোলের উপর মুখ নিচের দিকে রেখে, মাথা শরীরের চেয়ে নিচু রাখুন। আপনার হাতের তালু দিয়ে দুই কাঁধের মাঝখানে জোরে ৫ বার আঘাত করুন।
- চেস্ট থ্রাস্ট: শিশুকে পিঠের উপর ঘুরিয়ে, মাথা নিচু রেখে, বুকের মাঝখানে স্তনবৃন্তের ঠিক নিচে দুই আঙুল রেখে প্রায় দেড় থেকে চার সেন্টিমিটার গভীরতায় জোরে ৫ বার চাপ দিন।
- বস্তু বের হওয়া বা শিশু অজ্ঞান হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ৫টি ব্যাক ব্লো ও ৫টি চেস্ট থ্রাস্টের চক্র বিকল্পভাবে চালিয়ে যান।
গর্ভবতী নারী ও অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তির জন্য বিশেষ পদ্ধতি
গর্ভবতী নারী বা শরীরের গঠনের কারণে পেট জড়িয়ে ধরা সম্ভব না হয় এমন অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাধারণ অ্যাবডোমিনাল থ্রাস্ট নিরাপদ বা কার্যকর নয়—গর্ভাবস্থায় এতে জরায়ুতে আঘাতের ঝুঁকি থাকে। এই ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বীকৃত পদ্ধতি হলো চেস্ট থ্রাস্ট (Chest Thrusts): ব্যক্তির পেছনে দাঁড়িয়ে বাহুদ্বয় বগলের নিচ দিয়ে বুকের চারপাশে জড়িয়ে ধরুন, একটি মুষ্টি স্তনের হাড়ের (স্টার্নাম) মাঝখানে, একেবারে নিচের প্রান্তের কিছুটা উপরে রাখুন, অন্য হাত দিয়ে ধরে পেছনের দিকে জোরে ঠেলা দিন। এটি পেটে ঠেলার মতোই বুকের ভেতরের চাপ বাড়িয়ে বস্তুটিকে শ্বাসনালী থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
প্রাথমিক চিকিৎসায় সাধারণ যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি
- আংশিক অবরোধে (যখন ব্যক্তি এখনও কাশতে বা শ্বাস নিতে পারছেন) তাড়াহুড়ো করে পিঠে বা পেটে থাপ্পড়/ঠেলা দেওয়া উচিত নয়—এতে বস্তু আরও গভীরে চলে যেতে পারে। বরং ব্যক্তিকে নিজে জোরে কাশতে উৎসাহিত করে কাছে থেকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।
- সম্পূর্ণ অবরোধে পানি বা অন্য কোনো খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করা উচিত নয়—এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
- বস্তু দেখা না গেলে মুখের ভেতর অন্ধভাবে আঙুল ঢুকিয়ে খোঁচাখুঁচি করা উচিত নয়, কারণ এতে বস্তু শ্বাসনালীতে আরও গভীরে ঠেলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- সাহায্যের জন্য ডাকা বা ৯৯৯-এ কল করতে দেরি করা উচিত নয়—একা থাকলে হাইমলিচ পদ্ধতি শুরু করার আগে বা মাঝখানে যতটা সম্ভব জোরে সাহায্যের জন্য ডাকুন, কারণ কয়েক মিনিটের অক্সিজেনের অভাবেই মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে গেলে কী করবেন?
কেউ চোকিং অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে পড়লে এটি সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থা। তখন করণীয়:
- সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করুন (বাংলাদেশের টোল-ফ্রি জরুরি হটলাইন, যা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সমন্বয় করে, ২৪ ঘণ্টা সচল)।
- ব্যক্তিকে শক্ত সমতল জায়গায় শুইয়ে সিপিআর শুরু করুন—৩০টি বুক চাপ এবং ২টি শ্বাস দেওয়ার চক্রে।
- প্রতিটি শ্বাস দেওয়ার আগে মাথা পেছনে কাত করে মুখের ভেতর দেখুন; দৃশ্যমান বস্তু থাকলেই আঙুল দিয়ে সরিয়ে নিন। বস্তু দেখা না গেলে অন্ধভাবে আঙুল দিয়ে খোঁচাখুঁচি করবেন না—এতে বস্তু আরও গভীরে চলে যেতে পারে।
- সাহায্য না আসা বা ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু না করা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যান।
গলায় মাছ বা মাংসের হাড় বিঁধে যাওয়া: এটি কি একই জিনিস?
বাংলাদেশে অত্যন্ত সাধারণ একটি অভিযোগ হলো খাওয়ার সময় মাছের কাঁটা বা মাংসের ছোট হাড় "গলায় বিঁধে যাওয়া"। এটি প্রকৃত চোকিং থেকে আলাদা—এক্ষেত্রে সাধারণত শ্বাসনালী সম্পূর্ণ বন্ধ হয় না, বরং হাড়ের টুকরা গলা বা খাদ্যনালীর নরম আবরণে আটকে বা আঁচড় দিয়ে ব্যথা-অস্বস্তি সৃষ্টি করে। ব্যক্তি এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে ও কথা বলতে পারেন, শুধু গিলতে অসুবিধা ও খুঁচখুঁচে ব্যথা অনুভব করেন।
এই অবস্থায় সাধারণ কিন্তু ভুল ঘরোয়া পদ্ধতি—শুকনো ভাতের বড় দলা বা রুটি জোর করে গিলে ফেলা, অথবা আঙুল ঢুকিয়ে হাড় বের করার চেষ্টা করা—এড়িয়ে চলা উচিত। এসব পদ্ধতিতে হাড় আরও গভীরে চলে যেতে পারে বা গলা-খাদ্যনালীর আবরণে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। হালকা অস্বস্তিতে পানি দিয়ে ঢোঁক গেলা বা পাকা কলার মতো নরম, পিচ্ছিল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে, কিন্তু ব্যথা তীব্র হলে, গিলতে খুব কষ্ট হলে, বা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উপশম না হলে একজন ইএনটি (নাক-কান-গলা) বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত—প্রয়োজনে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে নিরাপদে হাড় সরানো হয়। এই অবস্থায় হাইমলিচ পদ্ধতি প্রয়োগ করার প্রয়োজন নেই, কারণ শ্বাসনালী অবরুদ্ধ নয়।
হাইমলিচ সফল হলেও ডাক্তার দেখানো কেন জরুরি?
বস্তু বের হয়ে গেলেও এবং ব্যক্তি সুস্থ বোধ করলেও হাইমলিচ পদ্ধতি প্রয়োগের পর একজন চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করানো উচিত। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, পেটে জোরে ঠেলা দেওয়ার ফলে পাঁজরের ফাটল, পাকস্থলী বা খাদ্যনালীর ছিদ্র, কিডনি/প্লীহার আঘাত বা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের মতো জটিলতা হতে পারে, যা তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও পরে গুরুতর রূপ নিতে পারে। শ্বাসকষ্ট, শিস দেওয়ার মতো শব্দ, গিলতে অসুবিধা, গলা-বুক-পেটে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত হাসপাতালে যান।
প্রতিরোধের উপায়
- শিশু ও বয়স্কদের খাবার ছোট ছোট টুকরায় কেটে দিন; আঙুর, বাদাম, শক্ত ক্যান্ডি বয়স অনুযায়ী এড়িয়ে চলুন বা ছোট টুকরায় কেটে দিন।
- খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো, হাসাহাসি বা কথা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করুন—শিশু ও বয়স্ক দুই ক্ষেত্রেই।
- ছোট শিশুদের হাতের নাগালে মুদ্রা, বেলুন, ছোট খেলনার যন্ত্রাংশ, বোতাম রাখবেন না।
- বয়স্ক ব্যক্তির দাঁতের ফিটিং (ডেনচার) ঠিকমতো বসে কিনা নিয়মিত পরীক্ষা করুন, কারণ দাঁতের সমস্যা চিবোনো ব্যাহত করে চোকিংয়ের ঝুঁকি বাড়ায়।
- খাওয়ার সময় সবসময় শিশু ও বয়স্কদের তদারকিতে রাখুন, একা বসিয়ে খাওয়াবেন না।
- মাছ রান্নার সময় সম্ভব হলে কাঁটা বেছে ফেলুন, এবং ছোট শিশুদের মাছ খাওয়ানোর আগে কাঁটা সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে নিন।
কখন জরুরি সেবায় কল করবেন
নিচের যেকোনো পরিস্থিতিতে দেরি না করে ৯৯৯-এ কল করুন বা দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান—ব্যক্তি সম্পূর্ণভাবে কাশতে/কথা বলতে/শ্বাস নিতে অক্ষম; মুখ-ঠোঁট নীলাভ হয়ে যাচ্ছে; প্রাথমিক চিকিৎসার পরেও শ্বাসকষ্ট থাকছে; ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন; বা হাইমলিচ পদ্ধতির পরে তীব্র পেট/বুক/গলা ব্যথা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (AHA) ও আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স (AAP)-র ২০২৫ সালের সিপিআর ও জরুরি চিকিৎসা নির্দেশিকা, আমেরিকান রেড ক্রস ফার্স্ট এইড ম্যানুয়াল এবং বাংলাদেশ জাতীয় জরুরি সেবা (৯৯৯) অনুসরণে লেখা।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
চোকিং হলে সবচেয়ে প্রথম ও স্পষ্ট লক্ষণ কী?
আংশিক ও সম্পূর্ণ শ্বাসনালী অবরোধের পার্থক্য কীভাবে বুঝব?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি কী?
১ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে হাইমলিচ পদ্ধতি কেন প্রয়োগ করা উচিত নয়?
গর্ভবতী নারী বা অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তির ক্ষেত্রে পদ্ধতি কী আলাদা?
ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে গেলে কী করতে হবে?
হাইমলিচ পদ্ধতি সফল হলেও কি ডাক্তার দেখানো জরুরি?
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কি হাইমলিচ পদ্ধতি করা উচিত?
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
মন্তব্য লিখুন
মন্তব্যে ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শ চাওয়া বা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন — নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।


